**রোমান্টিক লাভ স্টোরি: "অসমাপ্ত গল্পের হাত ধরা"**

**রোমান্টিক লাভ স্টোরি: "অসমাপ্ত গল্পের হাত ধরা"**

 

**প্রথম অধ্যায়: ভুল বোঝাবুঝির শুরু**  


মেঘলা দিনের শেষে শ্রেয়া তার প্রিয় কফিশপে বসে কলেজ প্রজেক্টের কাজ করছিল। হঠাৎ এক ঝটকা বাতাসে তার নোটবুকের পাতাগুলো উড়ে গেল। একজন তরুণ তাড়াতাড়ি সেগুলো কুড়িয়ে দিতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে শ্রেয়ার ল্যাপটপে কফি ছিটকে ফেলল।  


"এ কী করলে আপনি? আমার সম্পূর্ণ রিসার্চ পেপার এতে ছিল!" শ্রেয়া রাগে কাঁপতে কাঁপতে বলল।  


"আমি... আমি真的很抱歉! আমি ঠিক করে দেব..." তরুণটি অপ্রতিভভাবে বলল।  


"ঠিক করবেন? তিন মাসের কাজ ল্যাপটপ ক্র্যাশ করবেন আর ঠিক করবেন?" শ্রেয়া চোখে জল নিয়ে ল্যাপটপটা গুটিয়ে নিয়ে চলে গেল।  


**দ্বিতীয় অধ্যায়: অপ্রত্যাশিত মোড়**  


পরের দিন কলেজ ক্যান্টিনে শ্রেয়া দেখল সেই ছেলেটিই তার সামনের টেবিলে বসে আছে। সে জানতে পারল তার নাম অয়ন, কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র।  


"ল্যাপটাপের ডাটা রিকভার করেছি," অয়ন এক পেনড্রাইভ বাড়িয়ে দিল, "আমার এক বন্ধু সাইবার ক্যাফে চালায়, সে সাহায্য করেছে।"  


শ্রেয়া অবাক হয়ে পেনড্রাইভ খুলে দেখল সব ফাইল অক্ষত। "ধ...ধন্যবাদ," সে লজ্জিত স্বরে বলল।  


"একটা কফির বিনিময়ে ক্ষমা চাইছি," অয়ন হাসল।  


**তৃতীয় অধ্যায়: গোপনে গোপনে**  


দিন যায়, শ্রেয়া ও অয়ন ক্যাম্পাসে প্রায়ই দেখা করতে লাগল। শ্রেয়া বুঝতে পারল অয়ন শুধু প্রোগ্রামার নয়, সে একজন উত্সাহী গিটারিস্টও। একদিন রাতের ক্যাম্পাসে অয়ন গিটার হাতে শ্রেয়ার প্রিয় গানটা বাজাল।  


"তুমি জানো না, আমি আসলে..." অয়ন কথা শেষ করতে পারল না।  


"কী?" শ্রেয়া কৌতূহলী হয়ে问。  


"কিছু না," অয়ন হাসল, "শুধু ভাবছিলাম তোমার জন্য একটা অ্যাপ ডিজাইন করব।"  


**চতুর্থ অধ্যায়: বিচ্ছেদের বেদনা**  


হঠাৎ এক সপ্তাহ অয়ন কলেজে আসা বন্ধ করল। শ্রেয়ার ফোনকল, মেসেজের কোনো উত্তর পেল না। শেষে অয়নের রুমমেট থেকে জানতে পারল অয়ন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।  


শ্রেয়া ছুটে গেল হাসপাতালে। ডাক্তার বলল, অয়নের হার্টের সমস্যা ধরা পড়েছে, তাকে জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করতে হবে।  


"কেন আমাকে বলনি?" শ্রেয়া অয়নের হাত ধরে কাঁদল।  


"তোমাকে চিন্তিত করতে চাইনি," অয়ন দুর্বল স্বরে বলল, "আমি জানি তুমি তোমার মাস্টার্সের থিসিস নিয়ে ব্যস্ত।"  


**পঞ্চম অধ্যায়: নতুন সূর্যোদয়**  


অপারেশনের পর অয়নের অবস্থা স্থিতিশীল হল। শ্রেয়া প্রতিদিন হাসপাতালে গিয়ে তার দেখাশোনা করত। একদিন অয়ন শ্রেয়াকে একটা মোবাইল অ্যাপ দেখাল:  


"এটা আমি তোমার জন্য বানিয়েছি। 'অসমাপ্ত গল্প' নাম দিয়েছি। এখানে আমরা আমাদের প্রতিটি মুহূর্ত সেভ করে রাখব।"  


শ্রেয়া চোখের জল ধরে রাখতে পারল না, "কিন্তু ডাক্তার বলেছেন তোমাকে চাপ নিতে মানা করেছেন!"  


"তোমার জন্য এটাই আমার শেষ প্রজেক্ট নয়," অয়ন হাসল, "আমাদের গল্পটা তো এখনো অনেক বাকি।"  


*

💖 *"ভালোবাসা কোনো অ্যাপের মতো নয় যে ক্র্যাশ করবে, ভালোবাসা তো সেই কোডিং যা জীবনভর রান করে..."* 💖

Post a Comment

0 Comments

atOptions = { 'key' : 'bd9eefaebdf6b7004e830a30ae8ff6f5', 'form